ajkervabna.com
রবিবার ১লা আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

অন্ধকার সিলেটে তীব্র পানি সংকট, দুর্ভোগে নগরবাসী

অনলাইন ডেস্ক | ১৮ নভেম্বর ২০২০ | ১২:০৬ অপরাহ্ণ | 17 বার

অন্ধকার সিলেটে তীব্র পানি সংকট, দুর্ভোগে নগরবাসী

কুমারগাও গ্রিডে আগুন লাগায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই সিলেটের বেশিরভাগ এলাকায়। নগরীতে দেখা দিয়েছে পানির সংকট। অনেকের মোবাইল ফোনের চার্জ ফুরিয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে কয়েকটি এলাকায় টাকার বিনিময়ে মোবাইল ফোন ও চার্জারলাইটে চার্জ দেয়া হচ্ছে। দাম বেড়েছে মোমবাতিরও। সব মিলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে নগরবাসী।

কুমারগাও গ্রিডে সকালে ওই আগুন লাগার পর বিদ্যুৎহীন রয়েছে সিলেটের সাড়ে তিন লাখ গ্রাহক।

দক্ষিণ সুরমাকুচাই এলাকায় বিকাশ এজেন্টের দোকানে চার্জ দিতে আসা স্থানীয় আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকাল থেকে বিদ্যুৎ নেই। ফলে মোবাইল ফোনেরও চার্জ শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে ৫০ টাকা দিয়ে এখানে চার্জ দিতে এসেছি।’

বিদ্যুৎহীন সিলেট নগরী
দোকান মালিক সেবুল আহমদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটরের মাধ্যমে দোকান খোলা রেখেছি। জেনারেটরের তেলের খরচ জোগাতে চার্জ দেয়ার বিনিময়ে টাকা নিচ্ছি।’

নগরীর রায়নগর শিবগঞ্জ ভাটালিয়া আগপাড়াসহ আরও কয়েকটি এলাকায়ও একই দৃশ্য দেখা যায় সন্ধ্যার পর। জেনারেটর সুবিধা থাকা দোকানগুলিতে ভিড় করে মোবাইল ফোন চার্জ দিচ্ছিলেন আশপাশের বাসিন্দারা।

বিদ্যুৎ না থাকায় নগরীর বেশিরভাগ দোকানপাট বেলা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ হয়ে যায়। চার্জলাইটে চার্জ দিতেও বিভিন্ন স্থানে ভিড় দেখা গেছে।

নগরবাসী বলছেন, বিদ্যুৎহীন অবস্থায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে মোমবাতি। গ্রামীণ ফোনের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না। ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন ও বিতরণ বিভাগের সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী মোকাম্মেল হোসেন মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালাচ্ছি। তবে আগুনে জাতীয় গ্রিড লাইনের দুটি ট্রান্সমিটার পুড়ে যাওয়া বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।’

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষতির পরিমাণ দুইশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

সিলেট নগরীতে খাবার পানি সরবরাহ করে সিটি করপোরেশন। বিদ্যুৎ না থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

নগরীর কাস্টঘর এলাকার গৃহিণী তাসলিমা আক্তার বলেন, একে তো বিদ্যুৎ নেই তার ওপর পানির লাইনও বন্ধ। এ অবস্থায় ঘরে থাকাই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। খাবার-দাবারসহ দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘পানি বিতরণ ব্যবস্থা পুরোটাই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। সম্প্রতি পুরো শহরে এ রকম বিপর্যয় দেখা যায়নি। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে পানির সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।’

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ১২:০৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

ajkervabna.com |

advertisement
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
advertisement
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
advertisement

©- 2021 ajkervabna.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।