ajkervabna.com
সোমবার ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

রেল পরিচালনায় কর্মকর্তাদের ভুল সিদ্ধান্তে বাড়ছে ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক | ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ | ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ | 21 বার

রেল পরিচালনায় কর্মকর্তাদের ভুল সিদ্ধান্তে বাড়ছে ঝুঁকি

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে পরিবহন কর্মকর্তাদের ভুল সিদ্ধান্তে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে রেল পরিচালনায়। গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে অনভিজ্ঞ স্টেশন মাস্টার পদায়ন, অকারণে গুরুত্বপূর্ণ মেইন লাইন স্টেশন মাস্টারদের বদলি এবং নতুন স্টেশন মাস্টারদের ওপরের পদে পদায়নের কারণে স্টেশন বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

গত ২২ নভেম্বর পরিবহন বিভাগ থেকে ২১ জন স্টেশন মাস্টারের একটি বদলি আদেশ জারি করা হয়। ওই আদেশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন লাইনের সদর রসুলপুর স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার রাকিবুল ইসলামকে পাহাড়তলী স্টেশনে বদলি করা হয়। এতে দুইজন মাস্টার দিয়ে ওই স্টেশন পরিচালনা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে সেটি বন্ধ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন প্রধান মাস্টার প্রসেনজিৎ।

স্টেশন বন্ধের বিষয়টি জানালে বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) স্নেহাশীষ দাশ গুপ্ত দুজন দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। অন্যথায় তাকে বরখাস্তের হুমকিও দেন। কিন্তু প্রসেনজিৎ তার সিদ্ধান্তে অটল থাকায় শেষ পর্যন্ত রাজাপুর স্টেশনের কার্যক্রম ৮ ঘণ্টা বন্ধ রেখে সেখানের একজন মাস্টারকে সদর রসুলপুরে পাঠালে স্টেশনের অপারেশন থাকলেও রাজাপুর স্টেশন বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

প্রসেনজিৎ বাংলানিউজকে বলেন, স্টেশনের পাশে থাকার কোনো কোয়ার্টারও নেই। তিনজন হলে শিফটিং ডিউটি করা যায়। কিন্তু দুজন দিয়ে কোনোভাবেই স্টেশন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। আমার স্টেশনে ডিটিও সাহেব দুজন দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়ার জন্য চাপ দেন। আমি না মানতে চাইলে বরখাস্তের হুমকি দেন।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, চাকরির বিধি অনুযায়ী একজন সহকারী স্টেশন মাস্টার চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তিন বছরের মধ্যে বদলির সুযোগ নেই। স্টেশন মাস্টার গ্রেড-৪ বা গ্রেড-৩ এ পদায়নেরও সুযোগ নেই। কারণ সহকারী স্টেশন মাস্টার থেকে স্টেশন মাস্টার গ্রেড-৩ পদে যেতে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। এই পদের মাস্টারদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে পদায়নের বিধান রয়েছে।

এছাড়া রেলের ১৯৮২ সালের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে-কাউকে হয়রানিমূলক বদলি করা যাবে না। অথচ এসবের তোয়াক্কা না করেই ইচ্ছে মতো বদলি করা হচ্ছে।

জানা যায়, ২০০৫ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়া নীতিশ চাকমা চট্টগ্রাম জংশন কেবিনে দায়িত্ব পালন করছিলেন এসএম গ্রেড-৪ হিসেবে। তিনি হেপাটাইটিস-বি রোগী হওয়ায় মানবিক কারণে দূরে বদলি করেনি প্রশাসন। কারণ তিন মাস অন্তর তাকে চেকআপে যেতে হয়। বর্তমান আদেশে তাকে রাজাপুর স্টেশনে পাঠানো হয়েছে। এতে জীবন ঝুঁকিতে পড়েছেন তিনি। মানবিক বিষয়টি ডিটিওকে অবহিত করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২০

ajkervabna.com |

advertisement
advertisement
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
advertisement

©- 2021 ajkervabna.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।