ajkervabna.com
বৃহস্পতিবার ৫ই আগস্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২১শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

হাজী আমান উল্লাহকে নিয়ে বিভ্রান্ত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ মার্চ ২০২১ | ৩:১৭ অপরাহ্ণ | 408 বার

হাজী আমান উল্লাহকে  নিয়ে বিভ্রান্ত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

মিরপুর পল্লবী থানা ও ঢাকা উত্তর সিটির ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহঃ সভাপতি হাজী আমান উল্লাহকে আমানকে নিয়ে বিভ্রান্ত ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

দুর্দিনে দলের ত্যাগী ও নিবেদিত কর্মী হিসেবে হাজী আমান উল্লাহ আমান স্থানীয় প্রবীন নেতা ও তরুন কর্মীদের মাঝে আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন। হাজী আমান উল্লাহ আমান কিশোর বয়সেই দেখেন আওয়ামীলীগের প্রতি দাদার আত্মভালোবাসা ও বাবার ত্যাগ স্বীকার।

তার বাবা হাজী শামসুল হক ১৯৭৩ সাল থেকে হারুন মোল্লা এর সাথে রাজনীতি করেন । ২০১১ সালের ১০১ বছর বয়সে মৃত্যু আগ পর্যন্ত হাজী শাসসুল হকের রাজনীতি ছিল বঙ্গ বন্ধুর প্রতি একান্ত ভালোবাসা ও আনন্দের। মৃত্যুর দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন, তার সমাজের মসজিদ, মাদরাসাসহ সকল সামাজিক অনুষ্ঠানের প্রধান। বাবার মৃত্যুর পর, তার পথ অনুসরন করে হাজী আমান উল্লাহ এখন নিস্বার্থভাবে রাজনীতি ও সামাজিক সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছেন। দলীয় আনুগত্যশীল, দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসায় নিজেকে আবদ্ধ করে রেখেছেন ত্যাগী প্রবীন এই নেতা। তিনি ১৯৮১ সালে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন।

১৯৮২ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা এক পথসভায় যাওয়ার পথে আমান উল্লাহ ও তার পিতাকে রাজনীতিতে সততা ও একনিষ্ঠতার জন্য ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছ জানান। তারা ৮ ভাই ৪ বোন সবাই একনিষ্ঠ আওয়ামীলীগ সমর্থক। পঁচাত্তরের দিকে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের হাল ধরে রাখার মানুষ ছিলেন হাতে গোনা। একই অবস্থা ছিল মাঠ পর্যায়েও। সে দুযোর্গ সময়েও মাঠের সাহসী সৈনিকেরা হাল ছাড়েননি। বঙ্গবন্ধুর রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেননি। তাঁদের মধ্যে তাদেও মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বর্তমান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধীনের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হাজী আমান উল্লাহ আমান এর পিতা হাজী শামসুল হক। বাবার দেখানো পথেই হাটেন হাজী আমান। আশ্চর্য হলেও সত্য, এই পরিবারটিকে নিয়ে এখন চলছে নানা রকম বিভ্রান্ত তথ্য প্রচারনার উৎসব।

স্বল্প সময়ের জন্য নেতা নাম নিয়ে গর্জে ওঠা একশ্রেণীর হাইব্রিড ব্যক্তিরা নিজেদের সুবিধা আদায়ে হাজী আমান উল্লাহকে প্রতিবন্ধক মনে করেন। তারা অর্থ খরচ করে নিস্বার্থভাবে রাজনীতিতে জীবন কাটিয়ে দেওয়া হাজী আমান উল্লাহ এর বিরুদ্ধে বিষদগার করে চলছেন। অর্থ খরচ করে বিভ্রান্ত তথ্য প্রচারকারিদের বিরুদ্ধে হাজী আমান উল্লাহ প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আমি আমার বাবার থেকে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি শিখেছি, যদি কেউ আমার বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচার প্রমাণ করতে পারে, তাহলে পরিচ্ছন্ন রাজনীতির কথা আর কখনো বলবো না। পল্লবীর এভিনিউ ৫ ও মিরপুর ১০ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল ২ এর কার্যালয়ের পাশে যে লেগুনা স্ট্যান্ড রয়েছে। তা দেখাশোনার জন্য গাড়ীর মালিক কর্তৃপক্ষ নিয়ে একটি পরিচালনা কমিটি রয়েছে। যে কমিটি গঠন করে দিয়েছেন, আমাদের সকলের জনপ্রিয় নেতা ও সংসদ সদস্য ইলিয়াছ মোল্লাা নিজেই। কমিটিতে রয়েছেন পরিচিত মূখ, সাবিনা, জয়নাল, জাকির হোসেন বাবু ও বিপ্লবসহ আরো অনেকে।

লেগুনা কত বছর বয়সের ছেলেরা চালাবে, কারা নামাবে, কোথায় চলবে ও যাবে এবং তাদের লাইসেন্স আছে কি নেই তা দেখেন ও কমিটি কর্তৃপক্ষ। এখানে অন্য কারোর হাত নেই। হাজী আমান উল্লাহ আমান আরো বলেন, পল্লবীর ১১/সি এভিনিউ ৫’র ৮ নং লাইনের মোড় থেকে শুরু করে আব্বাস উদ্দিন স্কুলের মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে স্বল্প পুঁজি নিয়ে এই গরিব ব্যবসায়ীদেরা থেকে চাঁদা হিসেবে টাকা আদায় করেন,সুদিনের ভাসমান নেতারা। আমরা সুদিনের নেতা নয় এবং সুদিনে আমাদের আবির্ভাব ঘটেনি। বাসা বাড়ীর ময়লা, আবর্জনা ফালানোর জন্য পরিচ্ছন্ন কর্মিরা প্রতি ফ্ল্যাট থেকে ৫০ টাক করে ওঠান। আবর্জনা পরিস্কারের জন্য ওঠানো টাকা থেকে ভাগ নেওয়া ব্যক্তি আমি আমান উল্লাহ আামন না। আমি মানুষের সেবায় বিশ্বসী।

৩ নং ওয়ার্ডে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার ও সংগ্রহের জন্য ৫০টি গাড়ী রয়েছে। প্রতি গাড়ীতে ২ শিফ্টে ৪ জন লোক কাজ করে, আর তা সরাসরি নিয়ন্ত্রিত হয় কাউন্সিলর এর মাধ্যমে। ওয়াসার পানির সংকট দেখেন ওয়াসা কর্তৃপক্ষ, আর এর মূল্য নির্ধারিত হয় ওয়াসায়। ওয়াসার পানির মূল্য বাহিরে নির্ধারিত হয়, এ কথা আমি প্রথম শুনলাম। আমি মাক্কি জামে মসজিদ কমপ্লেক্স এর সহঃ সভাপতি ছিলাম, সাধারন সম্পাদক নয়। আমার কাছে মসজিদের কোন হিসাব কোন দিনই ছিলোনা এবং আমি করিও নাই। আমি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী জহিরুল ইসলাম মানিককে আমাদের এলাকা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও দুর্বিত্তায়ন রোধে নিজ থেকে সহায়তা করি। কিছু নামধারি ব্যক্তি আমাকে তাদের সুবিধা আদায়ে প্রতিবন্ধকতা মনে করে। আমি ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী হওয়ায়, তারা আমার সাথে কাউন্সিলরকে পেচিয়ে বিভিন্ন অপবাধ ছড়াচ্ছে। হাজী আমান উল্লাহ আমান তার বিরুদ্ধে রটানো বিভ্রান্ত তথ্য প্রচারকদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আমরা দলের দুর্দিনের কর্মী। সুদিনে আয়ের জন্য দলে আসি নাই। আমরা সৎভাবে আয় করে দলের জন্য খরচ করি। দলকে আয়ের উৎস করি নাই। তাই আমাদেরকে নিয়ে অপপ্রচার রটাবেন না।

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৩:১৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১

ajkervabna.com |

advertisement
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
advertisement
আর্কাইভ
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
advertisement

©- 2021 ajkervabna.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।